1. akmnazmuzsakib@gmail.com : Nazmus Sakib : Nazmus Sakib
  2. khairunnahar311984@gmail.com : কলাপাড়া পোস্ট :
  3. necharlenovo@gmail.com : Nechar Uddin : Nechar Uddin
  4. nex@farabiblog.com : Nex2 :
  5. mdabdullahalnoman819@gmail.com : MD. ABDULLAH AL NOMAN : MD. ABDULLAH AL NOMAN
ফেসবুকে বট ও ফেইক একাউন্টের দৌরাত্ম্য: চেনার উপায় ও প্রতিরোধের কৌশল
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:১৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সরকারি ছুটিতেও কবি নজরুল কলেজের উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান দীর্ঘ ৯ বছরের বিরতি ভেঙে কুয়াকাটায় ফিরছে পর্যটন কার্নিভাল, তারকাদের মিলনমেলায় মাতবে সাগরকন্যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সকল তথ্য-উপাত্ত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির কাছে হস্তান্তর বাংলাদেশে প্রায় ৩০ হাজার কন্যাশিশু বাণিজ্যিক যৌন শোষণের শিকার, উদ্বেগজনক শিশু পাচার পরিস্থিতি ডিসিইউ সাংবাদিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব সাইফুল ইসলাম সাব্বির নজরুল বর্ষ উপলক্ষে কবি নজরুল কলেজে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ধানখালীতে সাইকোজেনিক হাইপারভেন্টিলেশনে ৩১ শিক্ষার্থী অসুস্থ বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০২৬: স্বাস্থ্যকর ভবিষ্যতের জন্য ফার্মাসিস্টদের ক্ষমতায়নের আহ্বান ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ নিয়ে নতুন তথ্য, যা জানা গেল এইচএসসি-সমমানের ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় জানাল শিক্ষা বোর্ড

ফেসবুকে বট ও ফেইক একাউন্টের দৌরাত্ম্য: চেনার উপায় ও প্রতিরোধের কৌশল

নাজমুস সাকিব
  • প্রকাশিত সময়ঃ শনিবার, ৯ মে, ২০২৬
  • ২৯৭ জন দেখেছেন

নাজমুস সাকিব,
ডিজিটাল যোগাযোগের অন্যতম প্রধান মাধ্যম ফেসবুক। মতপ্রকাশ, সংবাদ আদান-প্রদান ও সামাজিক সংযোগে এর ভূমিকা গুরুত্বপূর্ণ হলেও সাম্প্রতিক সময়ে এই প্ল্যাটফর্মে বট ও ফেইক একাউন্টের দৌরাত্ম্য উদ্বেগজনক হারে বৃদ্ধি পেয়েছে। এসব ভুয়া একাউন্টের মাধ্যমে গুজব ছড়ানো, বিভ্রান্তি সৃষ্টি, জনমত প্রভাবিত করা ও প্রতারণার মতো কর্মকাণ্ড পরিচালিত হচ্ছে, যা ব্যক্তি ও সমাজ-উভয়ের জন্যই ঝুঁকিপূর্ণ।

বট একাউন্ট মূলত স্বয়ংক্রিয় সফটওয়্যার দ্বারা পরিচালিত হয়। এগুলো নির্দিষ্ট লক্ষ্য নিয়ে একই ধরনের পোস্ট, মন্তব্য বা প্রতিক্রিয়া জানায়। অন্যদিকে, ফেইক একাউন্টে ভুয়া নাম-পরিচয় ব্যবহার করে বাস্তব মানুষ কিংবা সংঘবদ্ধ চক্র সক্রিয় থাকে। সাধারণ ব্যবহারকারীদের পক্ষে এদের আলাদা করা অনেক সময় কঠিন হয়ে পড়ে।

তবে কিছু লক্ষণ লক্ষ্য করলে এসব একাউন্ট চিহ্নিত করা সম্ভব। যেমন-অসম্পূর্ণ প্রোফাইল, অস্বাভাবিক নাম ও ছবি, অল্প সময়ে অতিরিক্ত পোস্ট বা মন্তব্য, একই বক্তব্য বারবার প্রচার, সন্দেহজনক লিংক পাঠানো কিংবা উসকানিমূলক ভাষার ব্যবহার। বিশেষ করে যাচাইহীন তথ্য দ্রুত শেয়ার করার প্রবণতা এসব একাউন্টের অন্যতম বৈশিষ্ট্য।

এ সমস্যা মোকাবিলায় ব্যবহারকারীদের সচেতনতার কোনো বিকল্প নেই। ব্যক্তিগত প্রাইভেসি সেটিং শক্ত করা, অজানা লিংক এড়িয়ে চলা, সন্দেহজনক একাউন্ট রিপোর্ট ও ব্লক করা, তথ্য শেয়ারের আগে উৎস যাচাই করা এবং একাউন্ট সুরক্ষায় টু-ফ্যাক্টর অথেনটিকেশন চালু রাখা জরুরি। পাশাপাশি ডিজিটাল সাক্ষরতা বৃদ্ধির মাধ্যমে সাধারণ মানুষকে সচেতন করে তুলতে হবে।

বট ও ফেইক একাউন্টের প্রভাব শুধু ব্যক্তিগত পর্যায়ে সীমাবদ্ধ নয়; এটি সামাজিক স্থিতিশীলতা, তথ্যের বিশ্বাসযোগ্যতা ও গণতান্ত্রিক চর্চার জন্যও হুমকি। তাই নিরাপদ অনলাইন পরিবেশ গড়ে তুলতে রাষ্ট্র, প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ও ব্যবহারকারীদের সম্মিলিত উদ্যোগ প্রয়োজন।

দায়িত্বশীল ও সচেতন ব্যবহারই পারে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমকে ইতিবাচক ও নিরাপদ রাখতে।

আপনার সোসাল একাউন্টে শেয়ার করে অন্যদের পড়ার সুযোগ করে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Powered by ITNexBD