1. akmnazmuzsakib@gmail.com : Nazmus Sakib : Nazmus Sakib
  2. khairunnahar311984@gmail.com : কলাপাড়া পোস্ট :
  3. necharlenovo@gmail.com : Nechar Uddin : Nechar Uddin
  4. nex@farabiblog.com : Nex2 :
  5. mdabdullahalnoman819@gmail.com : MD. ABDULLAH AL NOMAN : MD. ABDULLAH AL NOMAN
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের বোঝায় বিপাকে ৯৪ হাজার গ্রাহক
রবিবার, ০৫ জুলাই ২০২৬, ০১:০৬ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের বোঝায় বিপাকে ৯৪ হাজার গ্রাহক শাফি ও জুবায়েরের তাজিংডং শীর্ষ জয়, তিন দিনে পাড়ি দিলেন দুর্গম পাহাড়ি পথ দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে ৯ দফা দাবিতে কলাপাড়ায় ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ মানববন্ধন কলাপাড়ার ডালবুগঞ্জে যিনি আলোকিত করেছেন প্রজন্মের পর প্রজন্ম, বিদায়ের দিনে কেন তিনি মঞ্চের এক কোণে পেনশন পেতে আর নয় হয়রানি, চালু হচ্ছে অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা ​ছাত্র কাউন্সিল নেতা সুজয় বিশ্বাস কর্তৃক নারী নিপীড়ন ও ভিকটিম ব্লেমিংয়ের প্রতিবাদে বরিশালে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সমাবেশ বড়পর্দায় আসছে ‘ডোরেমন’; নতুন সমুদ্রতল অভিযানে নোবিতা ও তার বন্ধুরা কলাপাড়ায় রেলিং ভেঙে খাদে প্রাইভেটকার, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন দুই আরোহী বিশ্ব বাবা দিবস আজ: যে মানুষটি নীরবে আগলে রাখেন পুরো পরিবার গভীর সমুদ্রে ডুবে গেল ৪০ লাখ টাকার ট্রলার, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন জেলেরা

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের বোঝায় বিপাকে ৯৪ হাজার গ্রাহক

আফসানা মিম
  • প্রকাশিত সময়ঃ শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
  • ৯১ জন দেখেছেন

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে চরম অসন্তোষ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অস্বাভাবিক হারে বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রায় ৯৪ হাজার পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহক আর্থিক সংকট ও ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলার প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ গ্রাহকের জুন মাসের বিল মে মাসের তুলনায় দেড় থেকে দুই গুণ, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে তিন গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ, নিম্ন আয়ের পরিবার এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, প্রকৃত মিটার রিডিং না নিয়েই অনুমাননির্ভর ইউনিট বসিয়ে বিল প্রস্তুত করা হয়েছে। অথচ জুন মাসজুড়ে লোডশেডিং থাকায় বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ আগের মাসের তুলনায় কম ছিল। বাস্তবতা ভিন্ন হলেও বিলে অতিরিক্ত ইউনিট দেখিয়ে গ্রাহকদের ওপর বাড়তি অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে বলে তাঁদের দাবি।
গণঅধিকার পরিষদ কলাপাড়া উপজেলা শাখার সদস্য সচিব গাজী আব্বাস উদ্দিন বাচ্চু জানান, তাঁর দুটি বিদ্যুৎ মিটারেই অস্বাভাবিক বিল এসেছে। একটি মিটারে মে মাসে ৪২৫ ইউনিট ব্যবহার দেখানো হলেও জুন মাসে ৬৫০ ইউনিট দেখিয়ে ৮ হাজার ৫৫ টাকা বিল করা হয়েছে। অন্য মিটারেও ৩১০ ইউনিটের পরিবর্তে ৪৫০ ইউনিট দেখিয়ে ৪ হাজার ৬০৩ টাকার বিল পাঠানো হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, মিটার পরিদর্শন ছাড়াই মনগড়া রিডিং বসিয়ে এই বিল তৈরি করা হয়েছে।
টিয়াখালী ইউনিয়নের ইটবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. ফোরকান হাওলাদার জানান, তাঁদের এলাকায় আগে মাসিক বিদ্যুৎ বিল ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে থাকলেও জুন মাসে প্রায় প্রতিটি পরিবারকে দেড় থেকে দুই গুণ বেশি বিল পরিশোধের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। শ্রমজীবী মানুষের জন্য এই অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
একই অভিযোগ করেন কুয়াকাটা বাসস্ট্যান্ড এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. জহির হোসেন। তিনি বলেন, প্রতি মাসে দোকান ও বাসার বিদ্যুৎ বিল ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকার মধ্যে থাকলেও জুন মাসে প্রায় দ্বিগুণ বিল এসেছে। তাঁর মতে, অধিকাংশ গ্রাহকের ক্ষেত্রেই প্রকৃত মিটার রিডিংয়ের পরিবর্তে অনুমাননির্ভর বিল করা হয়েছে।
গ্রাহকদের দাবি, প্রতিটি মিটারে গড়ে ৩০ থেকে ১০০ ইউনিট পর্যন্ত অতিরিক্ত দেখিয়ে বিল প্রস্তুত করা হয়েছে। তাঁদের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৯০ হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ৫০ লাখ ইউনিট অতিরিক্ত বিদ্যুতের মূল্য আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছে, যার আর্থিক পরিমাণ প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা। এ ঘটনায় তাঁরা দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত বিল নির্ধারণ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কলাপাড়া জোনাল অফিস সূত্রে জানা গেছে, কলাপাড়া জোনালের অধীনে ৬১ হাজার ৭৫১ জন এবং কুয়াকাটা জোনালের অধীনে ৩২ হাজার ৩১২ জন গ্রাহক রয়েছেন। মোট ৯৪ হাজার ৬৩ জন গ্রাহকের একটি বড় অংশ জুন মাসের বিল নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কলাপাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম শেখ আব্দুর রহমান বলেন, অতিরিক্ত বিলের বিষয়ে একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বিল সংশোধন করা হচ্ছে। তবে লোকবল সংকটের কারণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে বলেও তিনি জানান। তিনি আশ্বস্ত করেন, গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ গ্রাহকদের প্রত্যাশা, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত মিটার রিডিং অনুযায়ী বিল সংশোধন করা হবে এবং ভবিষ্যতে যেন এমন ভোগান্তির পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আপনার সোসাল একাউন্টে শেয়ার করে অন্যদের পড়ার সুযোগ করে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Powered by ITNexBD