1. akmnazmuzsakib@gmail.com : Nazmus Sakib : Nazmus Sakib
  2. khairunnahar311984@gmail.com : কলাপাড়া পোস্ট :
  3. necharlenovo@gmail.com : Nechar Uddin : Nechar Uddin
  4. nex@farabiblog.com : Nex2 :
  5. mdabdullahalnoman819@gmail.com : MD. ABDULLAH AL NOMAN : MD. ABDULLAH AL NOMAN
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের বোঝায় বিপাকে ৯৪ হাজার গ্রাহক
শনিবার, ২৪ অক্টোবর ২০২৬, ০১:২১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
সরকারি ছুটিতেও কবি নজরুল কলেজের উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান দীর্ঘ ৯ বছরের বিরতি ভেঙে কুয়াকাটায় ফিরছে পর্যটন কার্নিভাল, তারকাদের মিলনমেলায় মাতবে সাগরকন্যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সকল তথ্য-উপাত্ত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির কাছে হস্তান্তর বাংলাদেশে প্রায় ৩০ হাজার কন্যাশিশু বাণিজ্যিক যৌন শোষণের শিকার, উদ্বেগজনক শিশু পাচার পরিস্থিতি ডিসিইউ সাংবাদিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব সাইফুল ইসলাম সাব্বির নজরুল বর্ষ উপলক্ষে কবি নজরুল কলেজে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ধানখালীতে সাইকোজেনিক হাইপারভেন্টিলেশনে ৩১ শিক্ষার্থী অসুস্থ বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০২৬: স্বাস্থ্যকর ভবিষ্যতের জন্য ফার্মাসিস্টদের ক্ষমতায়নের আহ্বান ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ নিয়ে নতুন তথ্য, যা জানা গেল এইচএসসি-সমমানের ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় জানাল শিক্ষা বোর্ড

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের বোঝায় বিপাকে ৯৪ হাজার গ্রাহক

আফসানা মিম
  • প্রকাশিত সময়ঃ শনিবার, ৪ জুলাই, ২০২৬
  • ৩৮০ জন দেখেছেন

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জুন মাসের বিদ্যুৎ বিল নিয়ে চরম অসন্তোষ ও উদ্বেগ দেখা দিয়েছে। অস্বাভাবিক হারে বিদ্যুৎ বিল বৃদ্ধি পাওয়ায় প্রায় ৯৪ হাজার পল্লী বিদ্যুৎ গ্রাহক আর্থিক সংকট ও ভোগান্তির মুখে পড়েছেন। অভিযোগ উঠেছে, উপজেলার প্রায় ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ গ্রাহকের জুন মাসের বিল মে মাসের তুলনায় দেড় থেকে দুই গুণ, এমনকি কোনো কোনো ক্ষেত্রে তিন গুণ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেয়েছে। এতে সাধারণ মানুষ, নিম্ন আয়ের পরিবার এবং ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীরা সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন।
ভুক্তভোগী গ্রাহকদের অভিযোগ, প্রকৃত মিটার রিডিং না নিয়েই অনুমাননির্ভর ইউনিট বসিয়ে বিল প্রস্তুত করা হয়েছে। অথচ জুন মাসজুড়ে লোডশেডিং থাকায় বিদ্যুৎ ব্যবহারের পরিমাণ আগের মাসের তুলনায় কম ছিল। বাস্তবতা ভিন্ন হলেও বিলে অতিরিক্ত ইউনিট দেখিয়ে গ্রাহকদের ওপর বাড়তি অর্থনৈতিক চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে বলে তাঁদের দাবি।
গণঅধিকার পরিষদ কলাপাড়া উপজেলা শাখার সদস্য সচিব গাজী আব্বাস উদ্দিন বাচ্চু জানান, তাঁর দুটি বিদ্যুৎ মিটারেই অস্বাভাবিক বিল এসেছে। একটি মিটারে মে মাসে ৪২৫ ইউনিট ব্যবহার দেখানো হলেও জুন মাসে ৬৫০ ইউনিট দেখিয়ে ৮ হাজার ৫৫ টাকা বিল করা হয়েছে। অন্য মিটারেও ৩১০ ইউনিটের পরিবর্তে ৪৫০ ইউনিট দেখিয়ে ৪ হাজার ৬০৩ টাকার বিল পাঠানো হয়েছে। তাঁর ভাষ্য, মিটার পরিদর্শন ছাড়াই মনগড়া রিডিং বসিয়ে এই বিল তৈরি করা হয়েছে।
টিয়াখালী ইউনিয়নের ইটবাড়িয়া গ্রামের বাসিন্দা মো. ফোরকান হাওলাদার জানান, তাঁদের এলাকায় আগে মাসিক বিদ্যুৎ বিল ২৮০ থেকে ৩৫০ টাকার মধ্যে থাকলেও জুন মাসে প্রায় প্রতিটি পরিবারকে দেড় থেকে দুই গুণ বেশি বিল পরিশোধের নোটিশ দেওয়া হয়েছে। শ্রমজীবী মানুষের জন্য এই অতিরিক্ত বিল পরিশোধ করা অত্যন্ত কষ্টসাধ্য হয়ে পড়েছে।
একই অভিযোগ করেন কুয়াকাটা বাসস্ট্যান্ড এলাকার ক্ষুদ্র ব্যবসায়ী মো. জহির হোসেন। তিনি বলেন, প্রতি মাসে দোকান ও বাসার বিদ্যুৎ বিল ৪০০ থেকে ৪৫০ টাকার মধ্যে থাকলেও জুন মাসে প্রায় দ্বিগুণ বিল এসেছে। তাঁর মতে, অধিকাংশ গ্রাহকের ক্ষেত্রেই প্রকৃত মিটার রিডিংয়ের পরিবর্তে অনুমাননির্ভর বিল করা হয়েছে।
গ্রাহকদের দাবি, প্রতিটি মিটারে গড়ে ৩০ থেকে ১০০ ইউনিট পর্যন্ত অতিরিক্ত দেখিয়ে বিল প্রস্তুত করা হয়েছে। তাঁদের হিসাব অনুযায়ী, প্রায় ৯০ হাজার গ্রাহকের কাছ থেকে প্রায় ৫০ লাখ ইউনিট অতিরিক্ত বিদ্যুতের মূল্য আদায়ের চেষ্টা করা হয়েছে, যার আর্থিক পরিমাণ প্রায় সাড়ে চার কোটি টাকা। এ ঘটনায় তাঁরা দ্রুত তদন্ত করে প্রকৃত বিল নির্ধারণ এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কলাপাড়া জোনাল অফিস সূত্রে জানা গেছে, কলাপাড়া জোনালের অধীনে ৬১ হাজার ৭৫১ জন এবং কুয়াকাটা জোনালের অধীনে ৩২ হাজার ৩১২ জন গ্রাহক রয়েছেন। মোট ৯৪ হাজার ৬৩ জন গ্রাহকের একটি বড় অংশ জুন মাসের বিল নিয়ে অভিযোগ জানিয়েছেন।
এ বিষয়ে পটুয়াখালী পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কলাপাড়া জোনাল অফিসের ডিজিএম শেখ আব্দুর রহমান বলেন, অতিরিক্ত বিলের বিষয়ে একাধিক অভিযোগ পাওয়া গেছে। তদন্ত করে অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিকভাবে বিল সংশোধন করা হচ্ছে। তবে লোকবল সংকটের কারণে কিছুটা বিলম্ব হচ্ছে বলেও তিনি জানান। তিনি আশ্বস্ত করেন, গ্রাহকদের স্বার্থ রক্ষায় প্রয়োজনীয় সব ধরনের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে।
বিদ্যুৎ গ্রাহকদের প্রত্যাশা, দ্রুত ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত মিটার রিডিং অনুযায়ী বিল সংশোধন করা হবে এবং ভবিষ্যতে যেন এমন ভোগান্তির পুনরাবৃত্তি না ঘটে, সে জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আপনার সোসাল একাউন্টে শেয়ার করে অন্যদের পড়ার সুযোগ করে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Powered by ITNexBD