1. akmnazmuzsakib@gmail.com : Nazmus Sakib : Nazmus Sakib
  2. khairunnahar311984@gmail.com : কলাপাড়া পোস্ট :
  3. necharlenovo@gmail.com : Nechar Uddin : Nechar Uddin
  4. nex@farabiblog.com : Nex2 :
  5. mdabdullahalnoman819@gmail.com : MD. ABDULLAH AL NOMAN : MD. ABDULLAH AL NOMAN
সাহায্যপ্রার্থী আবুবক্করের গল্প: ভিক্ষা থেকে ব্যবসায়, এবার ছাউনির টিনের জন্য আকুতি
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬, ১০:৪৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সরকারি ছুটিতেও কবি নজরুল কলেজের উন্নয়নকাজ পরিদর্শনে অধ্যক্ষ হাবিবুর রহমান দীর্ঘ ৯ বছরের বিরতি ভেঙে কুয়াকাটায় ফিরছে পর্যটন কার্নিভাল, তারকাদের মিলনমেলায় মাতবে সাগরকন্যা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে সাত কলেজের শিক্ষার্থীদের সকল তথ্য-উপাত্ত ঢাকা সেন্ট্রাল ইউনিভার্সিটির কাছে হস্তান্তর বাংলাদেশে প্রায় ৩০ হাজার কন্যাশিশু বাণিজ্যিক যৌন শোষণের শিকার, উদ্বেগজনক শিশু পাচার পরিস্থিতি ডিসিইউ সাংবাদিক সমিতির ভারপ্রাপ্ত সদস্যসচিব সাইফুল ইসলাম সাব্বির নজরুল বর্ষ উপলক্ষে কবি নজরুল কলেজে আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ধানখালীতে সাইকোজেনিক হাইপারভেন্টিলেশনে ৩১ শিক্ষার্থী অসুস্থ বিশ্ব ফার্মাসিস্ট দিবস ২০২৬: স্বাস্থ্যকর ভবিষ্যতের জন্য ফার্মাসিস্টদের ক্ষমতায়নের আহ্বান ঘূর্ণিঝড় ‘অর্ণব’ নিয়ে নতুন তথ্য, যা জানা গেল এইচএসসি-সমমানের ফল প্রকাশের সম্ভাব্য সময় জানাল শিক্ষা বোর্ড

সাহায্যপ্রার্থী আবুবক্করের গল্প: ভিক্ষা থেকে ব্যবসায়, এবার ছাউনির টিনের জন্য আকুতি

মোঃ আবদুল্লাহ আল নোমান
  • প্রকাশিত সময়ঃ শুক্রবার, ১৩ জুন, ২০২৫
  • ৩৪২ জন দেখেছেন

কখনো যে হাতটি ভিক্ষার ঝুলি ছিল, এখন সেটি মেহনতের ঝুলি হয়ে উঠেছে। পটুয়াখালীর কলাপাড়ার আবুবক্কর এক সময় ভিক্ষা করে দিন কাটাতেন। তবে এক হৃদয়বান মানুষের সহায়তায় তিনি সেই পথ থেকে সরে এসে আত্মমর্যাদার জীবন বেছে নিয়েছেন। এখন শহরের অলিগলিতে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করেন পান, চিপস আর চকোলেট।

প্রায় পাঁচ বছর ধরে এইভাবেই ছোট্ট ব্যবসা করে কোনোমতে সংসার চালাচ্ছিলেন। কিন্তু প্রকৃতির করুণ এক আঘাতে আবারও যেন ভেঙে পড়লেন এই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষটি। গেল মে মাসের শেষ সপ্তাহে ঝড়ো হাওয়ায় তার বসতঘর বিধ্বস্ত হয়। ঘর তুলতে কাঠ সংগ্রহ করলেও এখন প্রয়োজন ছাউনির টিন।

আজ শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে কলাপাড়া পৌর শহরের বড় জামে মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে আবুবক্কর সাহায্য প্রার্থনা করেন। সদা হাস্যোজ্জ্বল এই মানুষটির মুখে তখনও হতাশা নয়, বরং ছিল আল্লাহর ওপর অগাধ বিশ্বাস। তিনি জানান, মসজিদের খাদেমের সহায়তায় সহায়তার বাক্স খুলে দেখেন – সেখানে রয়েছে মাত্র ১,০১০ টাকা।

তার ভাষায়, ‘এখনও অনেক দূর বাকি।’ ঘর তুলতে প্রয়োজন অন্তত চার বান্ডিল ঢেউটিন।

আবুবক্করের ডান চোখে একদমই দেখেন না, আর বাম চোখেও দৃষ্টিশক্তি সীমিত। স্ত্রীসহ চার সন্তানকে নিয়ে বলিপাড়া গ্রামে তার বসতঘর পুনর্নির্মাণের স্বপ্ন এখন অনিশ্চয়তার মুখে।

তবুও তাঁর মুখে হাসি, কণ্ঠে আশা। বলেন, ‘আল্লায় মিলাইয়া দেবে।’ এই ভরসা নিয়েই আবার দোকানের বাক্স গলায় ঝুলিয়ে শহরের পথে ছুটে যান কাস্টমারের খোঁজে। ডাক দেন, ‘লাগবে পান?’

আপনার সোসাল একাউন্টে শেয়ার করে অন্যদের পড়ার সুযোগ করে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Powered by ITNexBD