1. akmnazmuzsakib@gmail.com : Nazmus Sakib : Nazmus Sakib
  2. khairunnahar311984@gmail.com : কলাপাড়া পোস্ট :
  3. necharlenovo@gmail.com : Nechar Uddin : Nechar Uddin
  4. nex@farabiblog.com : Nex2 :
  5. mdabdullahalnoman819@gmail.com : MD. ABDULLAH AL NOMAN : MD. ABDULLAH AL NOMAN
সাহায্যপ্রার্থী আবুবক্করের গল্প: ভিক্ষা থেকে ব্যবসায়, এবার ছাউনির টিনের জন্য আকুতি
রবিবার, ১৪ জুন ২০২৬, ০৩:৩৭ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
যুক্তরাষ্ট্রের হামলার প্রতিশোধ নিতে কুয়েত, জর্ডান ও বাহরাইনে মার্কিন ঘাঁটিতে একযোগে আঘাত আইআরজিসি’র জ্যোতিষির ভবিষ্যত বানী: ফুটবল বিশ্ব কাপে চ্যাম্পিয়ন হচ্ছে ফ্রান্স ইরানের কেশম দ্বীপ, জাস্ক ও বন্দর আব্বাসে যুক্তরাষ্ট্রের হামলা সীমান্তে নতুন উত্তেজনা: একাধিক ‘পুশ-ইন’ চেষ্টা প্রতিহত করার দাবি বিজিবির বিদ্যুৎ ও জ্বালানির মূল্যবৃদ্ধি মানুষের ওপর চাপ বাড়াবে: সিপিডি কলাপাড়ার পানি জাদুঘর: ৮৭ নদীর পানি আর নদীসভ্যতার ইতিহাসের এক অনন্য ভাণ্ডার কলাপাড়ার তেগাছিয়া খেয়াঘাটে যাত্রীদের জিম্মি করে অতিরিক্ত ভাড়া আদায়ের অভিযোগ বিশ্বকে এল নিনোর জন্য প্রস্তুত হতে বলল জাতিসংঘ, চরম আবহাওয়ার শঙ্কা কলাপাড়ায় কিশোর গ্যাংয়ের উৎপাত: নৃশংস হত্যাকাণ্ডে প্রশাসনের ভূমিকা কি? “বাংলাদেশকে দুর্নীতির শীর্ষে তুলেছিল আগের সরকার” — ১২ মার্চ সংসদে রাষ্ট্রপতির মন্তব্য

সাহায্যপ্রার্থী আবুবক্করের গল্প: ভিক্ষা থেকে ব্যবসায়, এবার ছাউনির টিনের জন্য আকুতি

মোঃ আবদুল্লাহ আল নোমান
  • প্রকাশিত সময়ঃ শুক্রবার, ১৩ জুন, ২০২৫
  • ২১৪ জন দেখেছেন

কখনো যে হাতটি ভিক্ষার ঝুলি ছিল, এখন সেটি মেহনতের ঝুলি হয়ে উঠেছে। পটুয়াখালীর কলাপাড়ার আবুবক্কর এক সময় ভিক্ষা করে দিন কাটাতেন। তবে এক হৃদয়বান মানুষের সহায়তায় তিনি সেই পথ থেকে সরে এসে আত্মমর্যাদার জীবন বেছে নিয়েছেন। এখন শহরের অলিগলিতে ঘুরে ঘুরে বিক্রি করেন পান, চিপস আর চকোলেট।

প্রায় পাঁচ বছর ধরে এইভাবেই ছোট্ট ব্যবসা করে কোনোমতে সংসার চালাচ্ছিলেন। কিন্তু প্রকৃতির করুণ এক আঘাতে আবারও যেন ভেঙে পড়লেন এই দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী মানুষটি। গেল মে মাসের শেষ সপ্তাহে ঝড়ো হাওয়ায় তার বসতঘর বিধ্বস্ত হয়। ঘর তুলতে কাঠ সংগ্রহ করলেও এখন প্রয়োজন ছাউনির টিন।

আজ শুক্রবার জুমার নামাজ শেষে কলাপাড়া পৌর শহরের বড় জামে মসজিদের সামনে দাঁড়িয়ে আবুবক্কর সাহায্য প্রার্থনা করেন। সদা হাস্যোজ্জ্বল এই মানুষটির মুখে তখনও হতাশা নয়, বরং ছিল আল্লাহর ওপর অগাধ বিশ্বাস। তিনি জানান, মসজিদের খাদেমের সহায়তায় সহায়তার বাক্স খুলে দেখেন – সেখানে রয়েছে মাত্র ১,০১০ টাকা।

তার ভাষায়, ‘এখনও অনেক দূর বাকি।’ ঘর তুলতে প্রয়োজন অন্তত চার বান্ডিল ঢেউটিন।

আবুবক্করের ডান চোখে একদমই দেখেন না, আর বাম চোখেও দৃষ্টিশক্তি সীমিত। স্ত্রীসহ চার সন্তানকে নিয়ে বলিপাড়া গ্রামে তার বসতঘর পুনর্নির্মাণের স্বপ্ন এখন অনিশ্চয়তার মুখে।

তবুও তাঁর মুখে হাসি, কণ্ঠে আশা। বলেন, ‘আল্লায় মিলাইয়া দেবে।’ এই ভরসা নিয়েই আবার দোকানের বাক্স গলায় ঝুলিয়ে শহরের পথে ছুটে যান কাস্টমারের খোঁজে। ডাক দেন, ‘লাগবে পান?’

আপনার সোসাল একাউন্টে শেয়ার করে অন্যদের পড়ার সুযোগ করে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Powered by ITNexBD