1. akmnazmuzsakib@gmail.com : Nazmus Sakib : Nazmus Sakib
  2. khairunnahar311984@gmail.com : কলাপাড়া পোস্ট :
  3. necharlenovo@gmail.com : Nechar Uddin : Nechar Uddin
  4. nex@farabiblog.com : Nex2 :
  5. mdabdullahalnoman819@gmail.com : MD. ABDULLAH AL NOMAN : MD. ABDULLAH AL NOMAN
খুনের উদ্দেশে অপহরণের মামলায় স্বামী, ননদ, দেবরসহ ৭ জন গ্রেফতার
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০৯:৫১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৩০ বছরেও হয়নি স্থায়ী সেতু, ভাসমান সেতুই কৃষকদের একমাত্র ভরসা ড্রেন কি পানি নামানোর জন্য, নাকি ময়লার ডাস্টবিন? ড্রেন দখল করছে বর্জ্য, বাড়ছে জলাবদ্ধতা ও জনদুর্ভোগ কুয়াকাটার গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ‘হলুদ সোনালি বাটা’ সিটি ইউনিভার্সিটির গেস্ট ফ্যাকাল্টি ও ফার্মেসি বিভাগের অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস আল মামুনেরবিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ; স্থায়ী অপসারণেরদাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন গণহত্যার দায়ে শেখ হাসিনাকে দেশে এনে ফাঁসির দাবিতে হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ ছাত্রদলের মিছিল জুলাই শহিদ দিবসের দেয়ালিকা প্রতিযোগিতায় তৃতীয় কবি নজরুল সরকারি কলেজ রোভার অতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার: হারিয়ে যাচ্ছে জাতীয় পাখি দোয়েল, নীরব বিপদের মুখে প্রকৃতি বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে কোনো শিক্ষার্থী যেন পিছিয়ে না থাকে: শিক্ষকদের দায়িত্বশীল ভূমিকার নির্দেশ যে তিন শর্তে লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল,৪৫ দিন পরে চিকিৎসা সেবা শুরু মঙ্গলবার হতে বাংলাদেশের বাজারের ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে গবেষণা

খুনের উদ্দেশে অপহরণের মামলায় স্বামী, ননদ, দেবরসহ ৭ জন গ্রেফতার

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শুক্রবার, ৪ এপ্রিল, ২০২৫
  • ৩৪৩ জন দেখেছেন

মেজবাহউদ্দিন মাননু

পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় তিন সন্তানের জননী আখি আক্তার নুপুর (৩৫) দুই রাত দুই দিন পরেও কোনো খোঁজ মেলেনি। তার বাবা ও পরিবারের সদস্যরা মেয়েকে না পাওয়ার শঙ্কায় শোকাবহ অবস্থা অনুভব করছেন। অপরদিকে, নুপুরকে হত্যার উদ্দেশে অপহরণ করার অভিযোগে তার বাবা আলমগীর হাওলাদার কলাপাড়া থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মামলায় নুপুরের স্বামী আলমগীর সিকদারকে প্রধান আসামি করা হয়েছে। এছাড়া, ননদ, ভাসুর, দেবর, ভাসুরের ছেলে-মেয়ে ও অজ্ঞাত আরও ১৪-১৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়েছে।

মঙ্গলবার রাত ১২টার দিকে নুপুর নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় পুলিশ তার স্বামী আলমগীর সিকদার, ননদ নাছিমা বেগম, দুই ভাগনে, এক দেবর, এক ভাগনে বউ, ও ভাসুরের এক পুত্রবধূসহ মোট সাতজনকে গ্রেফতার করেছে। কলাপাড়া থানার এসআই মো. জাহিদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। গ্রেফতারকৃত সবাইকে আদালতে পাঠানো হয়েছে এবং বর্তমানে তারা জেল হাজতে রয়েছে।

নুপুরের বাবা আলমগীর হাওলাদার জানান, ১৮ বছর আগে তার মেয়ের বিয়ে হয়। বিয়ের পর থেকে ননদ, ভাসুরসহ শ্বশুরবাড়ির লোকজন তাকে মানসিক ও শারীরিকভাবে নির্যাতন করত। সর্বশেষ ওই রাতে, তার মেয়েকে হত্যার উদ্দেশ্যে মারধর করে আহত করা হয় এবং পরে অপহরণ করা হয়।

নুপুরের ননদ, শাশুড়ি ও অন্যান্যরা জানায়, নুপুরকে জিন বা ভূতে নিয়ে গেছে। বর্তমানে নুপুরের মাদ্রাসা পড়ুয়া ১৪ বছরের ছেলে নোমান, ৫ বছরের মেয়ে সাওদা এবং ৩ বছরের ছেলে মাশফি তার নানা বাড়িতে অবস্থান করছে এবং তারা মাকে খুঁজে বেড়াচ্ছে। ছোট্ট ছেলে মায়ের জন্য কান্না করছে।

এদিকে, মঙ্গলবার দিবাগত মধ্যরাতে স্বামীর বাড়ি থেকে নিখোঁজ হয় গৃহবধূ নুপুর আক্তার। ঈদের কারণে বাড়িতে আমন্ত্রিত মেহমানরা ছিলেন। সকলেই খাওয়া-দাওয়া শেষে ঘুমিয়ে পড়েন। মেহমান বেশি থাকায়, আলমগীর সিকদার তার তিন সন্তানের দুজনকে নিয়ে ভাইয়ের ঘরে ঘুমাতে যান এবং আখি তার ননদসহ অন্যদের সঙ্গে ঘুমান। রাত আনুমানিক ২:৩০টার দিকে, নুপুরের বড় ছেলে আসাদুল সিকদার (নোমান) টয়লেটে যাওয়ার সময়, ঘর থেকে মারধরের শব্দ শোনেন। প্রায় ২০ মিনিট পরে ফিরে এসে তিনি মেঝেতে রক্ত দেখতে পান। ছুটে গিয়ে মাকে খোঁজেন, কিন্তু মাকে না পেয়ে নানিকে ফোন করে কান্নাকাটি করতে থাকেন।

এদিকে, নুপুরের ননদ-ভাসুরসহ শ্বশুরবাড়ির একাংশ কিছুক্ষণ পর থেকেই প্রচার করতে থাকে, নুপুরকে জিন বা ভূতে নিয়ে গেছে। তবে, নুপুরের বাবা এবং ভাইদের দাবি, ওই রাতে নুপুরের সাথে একই বিছানায় থাকা ননদ নাসিমা ও ভাসুরের মেয়ে লামিয়াকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে প্রকৃত ঘটনা সামনে আসবে।

এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই জাহিদ বলেছেন, “তদন্তের স্বার্থে এখন কিছু বলা সম্ভব নয়, তবে তদন্ত চলমান রয়েছে।” বর্তমানে এই ঘটনা কলাপাড়ায় আলোচনার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে উঠেছে।           

আপনার সোসাল একাউন্টে শেয়ার করে অন্যদের পড়ার সুযোগ করে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Powered by ITNexBD