1. akmnazmuzsakib@gmail.com : Nazmus Sakib : Nazmus Sakib
  2. khairunnahar311984@gmail.com : কলাপাড়া পোস্ট :
  3. necharlenovo@gmail.com : Nechar Uddin : Nechar Uddin
  4. nex@farabiblog.com : Nex2 :
  5. mdabdullahalnoman819@gmail.com : MD. ABDULLAH AL NOMAN : MD. ABDULLAH AL NOMAN
কলাপাড়া উপজেলার স্বাস্থ্য সেবার বেহাল দশা
শুক্রবার, ২৪ জুলাই ২০২৬, ০৮:৫৮ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
জুলাই শহিদদের স্মরণে কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন বৃষ্টি, পাহাড় আর ঝর্ণা রোমাঞ্চে একদিন: কনকসাসের সীতাকুণ্ড ভ্রমণ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের বোঝায় বিপাকে ৯৪ হাজার গ্রাহক শাফি ও জুবায়েরের তাজিংডং শীর্ষ জয়, তিন দিনে পাড়ি দিলেন দুর্গম পাহাড়ি পথ দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে ৯ দফা দাবিতে কলাপাড়ায় ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ মানববন্ধন কলাপাড়ার ডালবুগঞ্জে যিনি আলোকিত করেছেন প্রজন্মের পর প্রজন্ম, বিদায়ের দিনে কেন তিনি মঞ্চের এক কোণে পেনশন পেতে আর নয় হয়রানি, চালু হচ্ছে অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা ​ছাত্র কাউন্সিল নেতা সুজয় বিশ্বাস কর্তৃক নারী নিপীড়ন ও ভিকটিম ব্লেমিংয়ের প্রতিবাদে বরিশালে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সমাবেশ বড়পর্দায় আসছে ‘ডোরেমন’; নতুন সমুদ্রতল অভিযানে নোবিতা ও তার বন্ধুরা কলাপাড়ায় রেলিং ভেঙে খাদে প্রাইভেটকার, অল্পের জন্য প্রাণে বাঁচলেন দুই আরোহী

কলাপাড়া উপজেলার স্বাস্থ্য সেবার বেহাল দশা

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৩৭ জন দেখেছেন

মোঃ আবদুল্লাহ আল নোমান,কলাপাড়া

কলাপাড়া উপজেলার স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বর্তমানে চরম সংকটে পড়েছে। স্থানীয় হাসপাতালের রোগীরা প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যদিও হাসপাতালের স্টকে এসব ওষুধ থাকা সত্ত্বেও। উদাহরণস্বরূপ, ২৩ মাস বয়সী ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশু জোনায়েদের পরিবারকে বাইরের ফার্মেসি থেকে অন্তত ৯০০ টাকার ওষুধ কিনতে হয়েছে, যার মধ্যে ছিল জিবেক-২০০ (এজিথ্রোমাইসিন) নামক একটি অ্যান্টিবায়োটিক, যা হাসপাতালেই বিনামূল্যে পাওয়ার কথা।

রোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তাদেরকে বাইরের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হচ্ছে, যেখানে খরচ অনেক বেশি। এছাড়া, হাসপাতালের এক্স-রে বিভাগ তালাবদ্ধ এবং ক্যাশিয়ার অনুপস্থিত থাকায় রোগীরা সেবা পেতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

চিকিৎসক সংকটও প্রকট। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে বর্তমানে মাত্র দুইজন চিকিৎসক কর্মরত, যাদের একজন প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকেন। উপজেলা স্বাস্থ্য প্রশাসক ডা. জেএইচ খান লেলিন জানান, ৩৬টি চিকিৎসক পদের মধ্যে ৯টি পূর্ণ রয়েছে, বাকিগুলো শূন্য। এই সংকটে, কুয়াকাটার ২০ শয্যার হাসপাতালের সেবাও বন্ধ হয়ে গেছে।

আপনার সোসাল একাউন্টে শেয়ার করে অন্যদের পড়ার সুযোগ করে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Powered by ITNexBD