1. akmnazmuzsakib@gmail.com : Nazmus Sakib : Nazmus Sakib
  2. khairunnahar311984@gmail.com : কলাপাড়া পোস্ট :
  3. necharlenovo@gmail.com : Nechar Uddin : Nechar Uddin
  4. nex@farabiblog.com : Nex2 :
  5. mdabdullahalnoman819@gmail.com : MD. ABDULLAH AL NOMAN : MD. ABDULLAH AL NOMAN
কলাপাড়া উপজেলার স্বাস্থ্য সেবার বেহাল দশা
মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১০:১৩ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
৩০ বছরেও হয়নি স্থায়ী সেতু, ভাসমান সেতুই কৃষকদের একমাত্র ভরসা ড্রেন কি পানি নামানোর জন্য, নাকি ময়লার ডাস্টবিন? ড্রেন দখল করছে বর্জ্য, বাড়ছে জলাবদ্ধতা ও জনদুর্ভোগ কুয়াকাটার গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ‘হলুদ সোনালি বাটা’ সিটি ইউনিভার্সিটির গেস্ট ফ্যাকাল্টি ও ফার্মেসি বিভাগের অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস আল মামুনেরবিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ; স্থায়ী অপসারণেরদাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন গণহত্যার দায়ে শেখ হাসিনাকে দেশে এনে ফাঁসির দাবিতে হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ ছাত্রদলের মিছিল জুলাই শহিদ দিবসের দেয়ালিকা প্রতিযোগিতায় তৃতীয় কবি নজরুল সরকারি কলেজ রোভার অতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার: হারিয়ে যাচ্ছে জাতীয় পাখি দোয়েল, নীরব বিপদের মুখে প্রকৃতি বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে কোনো শিক্ষার্থী যেন পিছিয়ে না থাকে: শিক্ষকদের দায়িত্বশীল ভূমিকার নির্দেশ যে তিন শর্তে লাইসেন্স ফিরে পেল আদ্-দ্বীন হাসপাতাল,৪৫ দিন পরে চিকিৎসা সেবা শুরু মঙ্গলবার হতে বাংলাদেশের বাজারের ৩৪ টুথপেস্টের ২৬টিতে মাইক্রোপ্লাস্টিক, উদ্বেগ বাড়াচ্ছে গবেষণা

কলাপাড়া উপজেলার স্বাস্থ্য সেবার বেহাল দশা

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ রবিবার, ২৭ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২৫৫ জন দেখেছেন

মোঃ আবদুল্লাহ আল নোমান,কলাপাড়া

কলাপাড়া উপজেলার স্বাস্থ্যসেবা কার্যক্রম বর্তমানে চরম সংকটে পড়েছে। স্থানীয় হাসপাতালের রোগীরা প্রয়োজনীয় ওষুধ ও সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন, যদিও হাসপাতালের স্টকে এসব ওষুধ থাকা সত্ত্বেও। উদাহরণস্বরূপ, ২৩ মাস বয়সী ডায়রিয়ায় আক্রান্ত শিশু জোনায়েদের পরিবারকে বাইরের ফার্মেসি থেকে অন্তত ৯০০ টাকার ওষুধ কিনতে হয়েছে, যার মধ্যে ছিল জিবেক-২০০ (এজিথ্রোমাইসিন) নামক একটি অ্যান্টিবায়োটিক, যা হাসপাতালেই বিনামূল্যে পাওয়ার কথা।

রোগীদের অভিযোগ, হাসপাতালের বিভিন্ন পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য তাদেরকে বাইরের বেসরকারি প্রতিষ্ঠানে পাঠানো হচ্ছে, যেখানে খরচ অনেক বেশি। এছাড়া, হাসপাতালের এক্স-রে বিভাগ তালাবদ্ধ এবং ক্যাশিয়ার অনুপস্থিত থাকায় রোগীরা সেবা পেতে ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন।

চিকিৎসক সংকটও প্রকট। ৫০ শয্যার এই হাসপাতালে বর্তমানে মাত্র দুইজন চিকিৎসক কর্মরত, যাদের একজন প্রশাসনিক কাজে ব্যস্ত থাকেন। উপজেলা স্বাস্থ্য প্রশাসক ডা. জেএইচ খান লেলিন জানান, ৩৬টি চিকিৎসক পদের মধ্যে ৯টি পূর্ণ রয়েছে, বাকিগুলো শূন্য। এই সংকটে, কুয়াকাটার ২০ শয্যার হাসপাতালের সেবাও বন্ধ হয়ে গেছে।

আপনার সোসাল একাউন্টে শেয়ার করে অন্যদের পড়ার সুযোগ করে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Powered by ITNexBD