একসময় যা ছিল কল্পবিজ্ঞান, আজ তা বাস্তব। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (Artificial Intelligence – AI) এখন শুধু প্রযুক্তির ভবিষ্যৎ নয়, আমাদের দৈনন্দিন জীবনের অংশ। স্বাস্থ্যসেবা, শিক্ষা, কৃষি, ব্যবসা, এমনকি সংবাদ মাধ্যম সবখানে
শফিউর রহমান ফারাবী, বাংলাদেশের অনলাইন মতাদর্শিক পরিমণ্ডলে এক সাহসী, কড়া ও আপসহীন ইসলামী কণ্ঠস্বর। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কালাইশ্রীপাড়ায় জন্ম, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে বিজ্ঞান শিক্ষার পাট চুকিয়ে ফারাবী পরিণত হন একজন পরিপূর্ণ আদর্শবাদী মুসলিম
কলাপাড়ায় জন্ম আমার, বেড়ে উঠাও এই মাটিতে। নদী, খাল, ঝাউবন, সমুদ্র—সব মিলিয়ে যে প্রকৃতির সঙ্গে আমরা বড় হয়েছি, আজ সেই প্রকৃতিই ধীরে ধীরে যেন আমাদের চোখের সামনে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে।
আমাদের কলাপাড়ার বুক চিরে দাঁড়িয়ে আছে এক ‘উন্নয়নের আইকন’—পায়রা তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। দেশের প্রথম বড় ধরনের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ প্রকল্প এটি। রাষ্ট্রীয়ভাবে একে উন্নয়নের মাইলফলক বলা হলেও, এই বিদ্যুৎকেন্দ্র ঘিরে আশেপাশের মানুষের
৪০ হাজার কোটি টাকা খরচ করে রাস্তা হোক—আপত্তি নেই। কিন্তু তার আগে আমাদের ১,০০০ কোটি টাকা চাই। এই বাজেটেই চাই একটি বিশেষ বরাদ্দ—কলাপাড়ার তরুণদের কর্মসংস্থানের জন্য। জলবায়ু সংকটে পড়তে যাওয়া
যে শহরকে সবাই চা-বাগান আর প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের জন্য চেনে, তার বুকের নিচে ঘুমিয়ে আছে শত বছরের ইতিহাস, যেটা হয়তো অনেকেই জানেন না। শ্রীমঙ্গল — বাংলাদেশের ‘চা রাজধানী’ নামে পরিচিত একটি
প্রকৃতি ও প্রাণীজগৎ পরস্পরের ওপর নির্ভরশীল। প্রাকৃতিক সাম্রাজ্যের এবং মানবসভ্যতার ভারসাম্য সুরক্ষায় জগতের প্রতিটি প্রজাতি পৃথকভাবে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। প্রতিটি জীবই কোনো না কোনোভাবে পরিবেশের জন্য ইতিবাচক ভূমিকা পালন
বিশ্ববিদ্যালয় হলো জ্ঞানচর্চার সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠ। এখানে শিক্ষক-শিক্ষার্থীর নানা সম্পর্ক আছে। কখনো সামাজিক-সাংস্কৃতিক অঙ্গনে, কখনো ক্রীড়াঙ্গনে, কখনো বা রাজনৈতিক অঙ্গনে। কিন্তু, সবচেয়ে বেশি যেখানে উভয়ের সম্পর্ক অটুট থাকার কথা সেখানে একটা
সবুজের সমারোহে ঘেরা চা বাগানের মাঝখানে দাঁড়িয়ে ভাবছি কত শ্রমিকের ঘামে দাঁড়িয়ে হাসে প্রকৃতির সুরেলা মেলোডি! চা বাগানের সৌন্দর্য এবং সেখানকার অভিজ্ঞতা নিয়ে কথা বলছেন আবদুল্লাহ আল যোবায়ের সূর্য ওঠার