1. akmnazmuzsakib@gmail.com : Nazmus Sakib : Nazmus Sakib
  2. khairunnahar311984@gmail.com : কলাপাড়া পোস্ট :
  3. necharlenovo@gmail.com : Nechar Uddin : Nechar Uddin
  4. nex@farabiblog.com : Nex2 :
  5. mdabdullahalnoman819@gmail.com : MD. ABDULLAH AL NOMAN : MD. ABDULLAH AL NOMAN
কাশবনের মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্যে ভিন্ন রূপে পায়রা বন্দর
মঙ্গলবার, ১৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০২:৩৫ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
নান্দনিকতার ছোঁয়া ক্যালিগ্রাফিতে রাঙানো আরবি বিভাগ কুয়াকাটায় নেই পর্যটক পুলিশ বক্স, স্মৃতি হয়ে দাঁড়িয়ে একটি গাছ ৩০ বছরেও হয়নি স্থায়ী সেতু, ভাসমান সেতুই কৃষকদের একমাত্র ভরসা ড্রেন কি পানি নামানোর জন্য, নাকি ময়লার ডাস্টবিন? ড্রেন দখল করছে বর্জ্য, বাড়ছে জলাবদ্ধতা ও জনদুর্ভোগ কুয়াকাটার গভীর সমুদ্রে জেলের জালে ‘হলুদ সোনালি বাটা’ সিটি ইউনিভার্সিটির গেস্ট ফ্যাকাল্টি ও ফার্মেসি বিভাগের অ্যাডভাইজার অধ্যাপক ড. মো. ইলিয়াস আল মামুনেরবিরুদ্ধে অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ; স্থায়ী অপসারণেরদাবিতে শিক্ষার্থীদের আন্দোলন গণহত্যার দায়ে শেখ হাসিনাকে দেশে এনে ফাঁসির দাবিতে হাবিবুল্লাহ বাহার কলেজ ছাত্রদলের মিছিল জুলাই শহিদ দিবসের দেয়ালিকা প্রতিযোগিতায় তৃতীয় কবি নজরুল সরকারি কলেজ রোভার অতিরিক্ত কীটনাশকের ব্যবহার: হারিয়ে যাচ্ছে জাতীয় পাখি দোয়েল, নীরব বিপদের মুখে প্রকৃতি বাংলা, ইংরেজি ও গণিতে কোনো শিক্ষার্থী যেন পিছিয়ে না থাকে: শিক্ষকদের দায়িত্বশীল ভূমিকার নির্দেশ

কাশবনের মনোমুগ্ধকর সৌন্দর্যে ভিন্ন রূপে পায়রা বন্দর

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ বুধবার, ১ অক্টোবর, ২০২৫
  • ৩২৩ জন দেখেছেন

নাজমুস সাকিব, কলাপাড়া

শরৎ এলেই বাংলার প্রকৃতি সেজে ওঠে অন্যরকম সাজে। নীল আকাশে ভাসমান তুলোর মতো সাদা মেঘ, মাঠজুড়ে দুলতে থাকা কাশফুল আর ঝলমলে রোদ-সব মিলিয়ে এক অনিন্দ্য সুন্দর দৃশ্য। পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় পায়রা বন্দরের আশপাশের প্রান্তর এখন এমনই মনোমুগ্ধকর রূপে সেজে উঠেছে।

দিগন্তজোড়া কাশবনের সৌন্দর্যকে আরও বাড়িয়ে দিয়েছে আশেপাশের পুকুর ও মসজিদ। দূর থেকে তাকালে মনে হয়, সাদা কাশফুলের সমুদ্রে দাঁড়িয়ে আছে শান্তির প্রতীক সবুজ প্রকৃতি আর মসজিদের মিনার। শরতের হাওয়ায় দুলতে থাকা কাশফুলের সাথে পুকুরের স্বচ্ছ জল মিলিয়ে যেন গড়ে উঠেছে এক স্বপ্নিল পরিবেশ।

পায়রা বন্দর কর্তৃপক্ষের প্রশাসনিক ভবনের উঁচু তলা থেকে এ সৌন্দর্য দেখা যায় সবচেয়ে স্পষ্টভাবে। চোখে পড়ে কাশবনের বিস্তীর্ণ শোভা, আন্ধারমানিক নদীর শীতল বাতাসে দোলা, শেরে বাংলা নৌঘাঁটির স্থাপনা, পাশাপাশি পায়রা ও পটুয়াখালী তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্র। একই জায়গা থেকে একসাথে এত বৈচিত্র্যময় দৃশ্য উপভোগ করা নিঃসন্দেহে এক অনন্য অভিজ্ঞতা।

তবে সাধারণ দর্শনার্থীদের জন্য বন্দর এলাকায় প্রবেশের অনুমতি নেই। নিরাপত্তাজনিত কারণে এখানে কঠোর সিকিউরিটি ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে প্রকৃতিপ্রেমীদের কাশফুলের সৌন্দর্য দেখতে হলে বন্দরের বাইরের অংশ থেকেই উপভোগ করতে হয়।

স্থানীয়দের দাবি, শরতের কাশফুল শুধু প্রকৃতির সৌন্দর্য নয়, এটি বাংলার ঐতিহ্যের প্রতীকও। ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য এই প্রাকৃতিক দৃশ্য অটুট রাখতে হলে দখল, দূষণ ও নির্বিচারে জমি ভরাট বন্ধ করা জরুরি। নইলে একদিন হয়তো হারিয়ে যাবে এ অপরূপ সৌন্দর্য।

বাংলার শরতের প্রতীক কাশফুল তাই শুধু ঋতুর বার্তাবাহক নয়, বরং প্রকৃতি ও মানুষের সহাবস্থানের এক জীবন্ত সাক্ষী হয়ে দাঁড়িয়ে আছে পায়রা বন্দরের আঙিনায়।

আপনার সোসাল একাউন্টে শেয়ার করে অন্যদের পড়ার সুযোগ করে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Powered by ITNexBD