1. akmnazmuzsakib@gmail.com : Nazmus Sakib : Nazmus Sakib
  2. khairunnahar311984@gmail.com : কলাপাড়া পোস্ট :
  3. necharlenovo@gmail.com : Nechar Uddin : Nechar Uddin
  4. nex@farabiblog.com : Nex2 :
  5. mdabdullahalnoman819@gmail.com : MD. ABDULLAH AL NOMAN : MD. ABDULLAH AL NOMAN
নির্বাক প্রকৃতি ও নগ্ন উন্নয়ন: কলাপাড়ার পরিবেশ সংকট
সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৬:৫৭ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পটুয়াখালী-৪: ১০ দলীয় জামাত সমর্থিত নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা, তিনজন গুরুতর আহত ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে টিয়াখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের দুই নেতা সরে দাঁড়ালেন কলাপাড়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশি মদ উদ্ধার, আটক ৪ দু’দিনব্যাপী সাংবাদিক কর্মশালার সমাপন পায়রা বন্দর স্টিভেডরিং হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক পরিচিতি সভা পায়রা বন্দর স্টিভেডরিং হ্যান্ডেলিং শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের পরিচিতি সভা  সারাদেশে এক লক্ষ সৌর প্যানেল প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে ১ লক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। শের-ই-বাংলা নৌঘাঁটি-পায়রা বন্দরের সংযোগ সড়ক প্রকল্পে দরপত্র আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের কলাপাড়া সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমানের অব্যাহতি কলাপাড়ায় রিংবাঁধ দিয়ে নদীতীরসহ সংরক্ষিত বনাঞ্চল দখল

নির্বাক প্রকৃতি ও নগ্ন উন্নয়ন: কলাপাড়ার পরিবেশ সংকট

নাজমুস সাকিব
  • প্রকাশিত সময়ঃ মঙ্গলবার, ৩ জুন, ২০২৫
  • ৬৩৪ জন দেখেছেন

কলাপাড়ায় জন্ম আমার, বেড়ে উঠাও এই মাটিতে। নদী, খাল, ঝাউবন, সমুদ্র—সব মিলিয়ে যে প্রকৃতির সঙ্গে আমরা বড় হয়েছি, আজ সেই প্রকৃতিই ধীরে ধীরে যেন আমাদের চোখের সামনে নিঃশেষ হয়ে যাচ্ছে।

এক সময় আন্ধারমানিক নদীর পাড় ধরে হাঁটতে হাঁটতে নদীর ছোটাছুটি দেখতাম। এখন সেই নদী পাড় গিলে ফেলছে ঘর, জমি, এমনকি শ্মশান—যা মানুষের অস্তিত্বের শেষ চিহ্ন। আমরা উন্নয়ন চাই, চাই পর্যটনের প্রসার, চাই আধুনিকতা। কিন্তু সেই উন্নয়নের নামে যখন ঝাউবন কেটে রিসোর্ট গড়ে, যখন নদীর বুকে বালুর হাট বসে, তখন সেই উন্নয়ন আমার কাছে আর উন্নয়ন মনে হয় না। মনে হয়, এটি প্রকৃতিকে পুঁজি করে লোভের জাহান্নামে নামার আরেক নাম। পরিবেশের সবচেয়ে বড় সমস্যা হচ্ছে—এটি ধ্বংস হয় ধীরে ধীরে, আর বুঝে উঠতে উঠতেই সব শেষ হয়ে যায়।

আজ কলাপাড়ার সবচেয়ে বড় সংকট আমার মতে, সেটা একটাই—সচেতনতার অভাব আর সমন্বয়ের দুর্বলতা। পর্যটন ব্যবসায়ী, ট্রলার মালিক, প্রশাসন, এমনকি আমরা সাংবাদিকরাও অনেক সময় নিজেদের দায়িত্বটা ভুলে যাই। একটু বেশী লাভের আশায় আমরা কখনো নদীর তীর দখল করি, আবার কখনো প্লাস্টিক ছড়িয়ে দেই সৈকতে। এত কথা বলার পরেও যদি সমাধানের দিকে তাকাই, আমি হতাশ না। এখনো সময় আছে।
পরিবেশ ছাড়পত্র ছাড়া নির্মাণ কঠোরভাবে বন্ধ করতে হবে। নদীভাঙন ঠেকাতে দীর্ঘমেয়াদী প্রকল্প দরকার, সেটা যেন প্রকল্পেই আটকে না থাকে। শহর ও পর্যটন এলাকায় কঠোর বর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু করতে হবে। এবং importantly, তরুণদের পরিবেশ আন্দোলনে জড়াতে হবে। আমরা যারা সাংবাদিকতা করি, তারা জানি—একটি ফিচার বদলে দিতে পারে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি। তাই এই লেখাটা শুধু তথ্য নয়, একটি আবেদন—আসুন, কলাপাড়াকে আমরা কেবল পর্যটনের শহর নয়, পরিবেশ সচেতন এক মডেল উপজেলা হিসেবে গড়ে তুলি। আজকের নীরব প্রকৃতি একদিন হয়তো আমাদের কাছে বিচার চাইবে। সেদিন যেন কলমের সামনে আমরা বিব্রত না হই। শেষ কথায় বলি পরিবেশ রক্ষা এখন শুধু কোনো দয়া নয়, এটা অস্তিত্বের লড়াই।

  • লেখকঃ
    পরিবেশকর্মী ও শিক্ষার্থী, যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগ, ইউনিভার্সিটি অব ডেভেলপমেন্ট অল্টারনেটিভ (ইউডা)

আপনার সোসাল একাউন্টে শেয়ার করে অন্যদের পড়ার সুযোগ করে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Powered by ITNexBD