1. akmnazmuzsakib@gmail.com : Nazmus Sakib : Nazmus Sakib
  2. khairunnahar311984@gmail.com : কলাপাড়া পোস্ট :
  3. necharlenovo@gmail.com : Nechar Uddin : Nechar Uddin
  4. nex@farabiblog.com : Nex2 :
  5. mdabdullahalnoman819@gmail.com : MD. ABDULLAH AL NOMAN : MD. ABDULLAH AL NOMAN
কলাপাড়ায় রিংবাঁধ দিয়ে নদীতীরসহ সংরক্ষিত বনাঞ্চল দখল
বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬, ০৮:৪৪ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
সংবাদ প্রকাশের পর নড়েচড়ে বসলো প্রশাসন: খেপুপাড়া মডেল স্কুলে কোচিং বাণিজ্যের অভিযোগে শোকজ জুলাই আন্দোলনের সক্রিয় যোদ্ধা ও জনপ্রিয় কন্টেন্ট ক্রিয়েটর নুরুজ্জামান কাফি খুব শিগগিরই জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-তে যোগ দিতে যাচ্ছেন। শত বছরের ঐতিহ্য হারাতে বসেছে খেপুপাড়া সরকারি মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়! শিক্ষা ব্যবস্থা গভীর সংকটে। ক্লাসে উপস্থিতি নেমেছে ১০-৩০ শতাংশে। খেপুপাড়া ডপলার রাডার: ঘূর্ণিঝড় মোকাবিলায় উপকূলের নির্ভরতার নাম কলাপাড়া উপজেলা প্রেসক্লাবের আত্মপ্রকাশ, ১৩ সদস্যের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন কলাপাড়ার ধুলাসারে জেলেদের ভিজিএফর চাল বিতরণে চলছে হরিলুট! ৩৬ মেট্রিক টন চাল আত্মসাৎ! ৮০ কেজিতে দেয়া হচ্ছে ৪৮-৫৮ কেজি কুয়াকাটায় মাদকবিরোধী অভিযানে শ্রমিকদল নেতাসহ আটক-২ নারী শিক্ষার্থীদের নামাজের জায়গা সংকট! নির্দিষ্ট স্থান না থাকায় ভোগান্তি ও হতাশা ফুটপাত ফিরে পেল পথচারী, তবু ক্ষুদ্র ব্যবসায়ীদের জীবিকা প্রশ্নের মুখে কলাপাড়া উপকূলের সমুদ্রগামী জেলেদের বিশেষ ব্যবস্থাপনায় জ্বালানি তেল সরবরাহ! ফিরেছে স্বস্তি

কলাপাড়ায় রিংবাঁধ দিয়ে নদীতীরসহ সংরক্ষিত বনাঞ্চল দখল

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শনিবার, ২২ নভেম্বর, ২০২৫
  • ৪২৯ জন দেখেছেন

নাজমুস সাকিব, কলাপাড়া

পটুয়াখালীর কলাপাড়া-কুয়াকাটা মহাসড়কের সোনাতলা নদীর সেতুর পশ্চিম পাশে দীর্ঘ এলাকায় নদীর প্লাবনভূমি ও সংরক্ষিত ম্যানগ্রোভ বনাঞ্চল রিংবাঁধ দিয়ে অবৈধভাবে দখল করা হয়েছে। স্কেভেটর দিয়ে ফ্রি-স্টাইলে নদীর মাটি কেটে বাগান, প্লাবনভূমি এবং শত শত ম্যানগ্রোভ প্রজাতির গাছপালা সমৃদ্ধ বনাঞ্চল ধ্বংস করা হচ্ছে। অথচ বন বিভাগ, পানি উন্নয়ন বোর্ড কিংবা ভূমি প্রশাসন-কেউই কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নিচ্ছে না বলে স্থানীয়দের অভিযোগ।

সরেজমিনে দেখা গেছে, সংরক্ষিত বনাঞ্চলের মাঝখান দিয়ে গাছ কেটে রিংবাঁধ নির্মাণ করা হয়েছে। এতে বর্ষাকালে পানি চলাচলের পথ বন্ধ হয়ে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি এবং ম্যানগ্রোভ গাছপালা মারা যাওয়ার আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এমনকি ওই এলাকায় বাড়িঘর, পুকুর, বিদ্যুতের লাইন পর্যন্ত স্থাপন করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের খাদা (খাল) পর্যন্ত বাঁধ দিয়ে চলাচলের রাস্তা বানানো হয়েছে-যা পুরো পরিবেশ ও প্রতিবেশকে হুমকির মুখে ফেলেছে।

স্থানীয় জেলেরা জানান, রুহুল ফকির নামের এক ব্যক্তি কয়েকশ’ মিটারজুড়ে কোটি টাকার খাসজমি ও সংরক্ষিত বনাঞ্চল দখলে নিয়েছেন। তিনি জানান, চিংড়ি শুকানোর সুবিধার্থে রিংবাঁধ দেওয়া হয়েছে এবং বর্ষায় তা কেটে ফেলা হবে বলেও দাবি করেন। পাশাপাশি চার-পাঁচজনের বন্দোবস্ত করা জমির কথাও বলেন তিনি।

এ বিষয়ে পরিবেশ সংগঠক নজরুল ইসলাম বলেন, “এভাবে ফ্রি-স্টাইলে নদী ও বনাঞ্চল ধ্বংসকারীদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা নিতে হবে। যে ভুয়া বন্দোবস্তের মাধ্যমে এই দখল হয়েছে, তা বাতিল করে জড়িতদের বিরুদ্ধে ফৌজদারি ব্যবস্থা গ্রহণ জরুরি।” তিনি প্রশ্ন তুলেছেন-যে এলাকা এখনো জোয়ারে প্লাবিত হয়, সেখানে ১৫–২০ বছর আগে কীভাবে কৃষিজমি দেখিয়ে বন্দোবস্ত দেওয়া হলো?

হাজীপুর এলাকার ফরেস্টার কামরুল আহসান জানিয়েছেন, তিনি বিষয়টি কর্তৃপক্ষকে জানিয়ে দিয়েছেন। দুই ব্যক্তি রিংবাঁধ নির্মাণে জড়িত বলে জানান তিনি।

উপজেলা বন ও পরিবেশ কমিটির সভাপতি এবং কলাপাড়া উপজেলা নির্বাহী অফিসার কাউছার হামিদ বলেন, “নদীতীর কিংবা বনাঞ্চল দখলের সুযোগ নেই। দ্রুত সময়ের মধ্যে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

সংরক্ষিত বনাঞ্চল দখল ও নদীতীর ভরাটের মাধ্যমে পরিবেশ–প্রতিবেশ ধ্বংসের যে প্রক্রিয়া চলছে, তা থামাতে জরুরি উদ্যোগ ও কার্যকর নজরদারির দাবি জানিয়েছেন সচেতন মহল।

আপনার সোসাল একাউন্টে শেয়ার করে অন্যদের পড়ার সুযোগ করে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Powered by ITNexBD