1. akmnazmuzsakib@gmail.com : Nazmus Sakib : Nazmus Sakib
  2. khairunnahar311984@gmail.com : কলাপাড়া পোস্ট :
  3. necharlenovo@gmail.com : Nechar Uddin : Nechar Uddin
  4. nex@farabiblog.com : Nex2 :
  5. mdabdullahalnoman819@gmail.com : MD. ABDULLAH AL NOMAN : MD. ABDULLAH AL NOMAN
কলাপাড়ার চাকামাইয়ায় কলেজ ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী এখন ছাত্রদলের জুলাই-আগষ্ট অনুষ্ঠানের সদস্য সচিব
সোমবার, ০৯ মার্চ ২০২৬, ০৮:৪০ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
পটুয়াখালী-৪: ১০ দলীয় জামাত সমর্থিত নির্বাচনী প্রচারণায় হামলা, তিনজন গুরুতর আহত ছাত্রলীগ সংশ্লিষ্টতার অভিযোগে টিয়াখালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের দুই নেতা সরে দাঁড়ালেন কলাপাড়ায় সেনাবাহিনীর অভিযানে বিপুল পরিমাণ দেশি মদ উদ্ধার, আটক ৪ দু’দিনব্যাপী সাংবাদিক কর্মশালার সমাপন পায়রা বন্দর স্টিভেডরিং হ্যান্ডেলিং শ্রমিক ইউনিয়ন কার্যনির্বাহী কমিটির অভিষেক পরিচিতি সভা পায়রা বন্দর স্টিভেডরিং হ্যান্ডেলিং শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের পরিচিতি সভা  সারাদেশে এক লক্ষ সৌর প্যানেল প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ ভাবে ১ লক্ষ কর্মসংস্থানের সুযোগ সৃষ্টি করবে। শের-ই-বাংলা নৌঘাঁটি-পায়রা বন্দরের সংযোগ সড়ক প্রকল্পে দরপত্র আহ্বান ইসলামী আন্দোলনের কলাপাড়া সিনিয়র সহ-সভাপতি মাওলানা মোস্তাফিজুর রহমানের অব্যাহতি কলাপাড়ায় রিংবাঁধ দিয়ে নদীতীরসহ সংরক্ষিত বনাঞ্চল দখল

কলাপাড়ার চাকামাইয়ায় কলেজ ছাত্রলীগ নেতা ইমরান চৌধুরী এখন ছাত্রদলের জুলাই-আগষ্ট অনুষ্ঠানের সদস্য সচিব

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ শনিবার, ২৬ জুলাই, ২০২৫
  • ৫৪৩ জন দেখেছেন

নিজস্ব প্রতিবেদক
পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় “জুলাই আগষ্ট শহীদ স্মরণে আয়োজিত ছাত্রদলের দোয়া মাহফিল ও আলোচনা সভার উপ-কমিটিতে” থাকা এক ছাত্রনেতার নাম ঘিরে তৈরি হয়েছে চাঞ্চল্যসামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া দুটি পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে দেখা গেছে—একই ব্যক্তি ছাত্রদলের আয়োজন কমিটির সদস্য এবং ছাত্রলীগের কলেজ শাখার একজন দায়িত্বশীল নেতাও।

ছবিতে দেখা যায়, ইমরান হোসেন চৌধুরী নামের এক ছাত্রনেতা ছাত্রদলের উপ-কমিটিতে আছেন “আইনবিষয়ক সম্পাদক” হিসেবে। আবার অন্য একটি নথিতে তিনি “বাংলাদেশ ছাত্রলীগ” মোজাহার উদ্দিন বিশ্বাস কলেজ শাখার আইনবিষয়ক সম্পাদক হিসেবেও মনোনীত।
প্রশ্ন উঠছে—এক ব্যক্তি কীভাবে দেশের দুই বিপরীত রাজনৈতিক আদর্শের ছাত্রসংগঠনে একসঙ্গে পদধারী হতে পারেন?

এই ‘দ্বৈত পদ’ ইস্যু নিয়ে কলাপাড়ায় রাজনৈতিক মহলে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে। অনেকে এটিকে রাজনৈতিক অসঙ্গতি ও বিশ্বাসঘাতকতা হিসেবে দেখছেন, আবার কেউ কেউ বলছেন—স্থানীয় রাজনীতিতে সুযোগসন্ধানী একটি প্রবণতা দীর্ঘদিন ধরেই চলছে, যা দলীয় আদর্শকে প্রশ্নবিদ্ধ করে।

ছাত্রদলের পক্ষ থেকেও এখন পর্যন্ত কোনো আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি। তবে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বিষয়টি নিয়ে দুই পক্ষই নিজেদের দৃষ্টিকোণ থেকে ব্যাখ্যা দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।

আপনার সোসাল একাউন্টে শেয়ার করে অন্যদের পড়ার সুযোগ করে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Powered by ITNexBD