1. akmnazmuzsakib@gmail.com : Nazmus Sakib : Nazmus Sakib
  2. khairunnahar311984@gmail.com : কলাপাড়া পোস্ট :
  3. necharlenovo@gmail.com : Nechar Uddin : Nechar Uddin
  4. nex@farabiblog.com : Nex2 :
  5. mdabdullahalnoman819@gmail.com : MD. ABDULLAH AL NOMAN : MD. ABDULLAH AL NOMAN
জন্মদাত্রি মা ছেলের মারধরে গুরুতর আহত
শনিবার, ২৫ জুলাই ২০২৬, ০৮:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
উপজেলা শিক্ষার্থীদের সহযোগিতামূলক অরাজনৈতিক সংগঠন ‘পায়রা’র নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন গ্রিন কলাপাড়া ক্লিন কলাপাড়া প্রকল্পের উদ্যোগে ৪ পরিবারকে পরিচ্ছন্ন পরিবার সম্মাননা জুলাই শহিদদের স্মরণে কবি নজরুল সরকারি কলেজ ছাত্রদলের মোমবাতি প্রজ্জ্বলন বৃষ্টি, পাহাড় আর ঝর্ণা রোমাঞ্চে একদিন: কনকসাসের সীতাকুণ্ড ভ্রমণ পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় অতিরিক্ত বিদ্যুৎ বিলের বোঝায় বিপাকে ৯৪ হাজার গ্রাহক শাফি ও জুবায়েরের তাজিংডং শীর্ষ জয়, তিন দিনে পাড়ি দিলেন দুর্গম পাহাড়ি পথ দক্ষিণাঞ্চলের উন্নয়নে ৯ দফা দাবিতে কলাপাড়ায় ৩০ কিলোমিটার দীর্ঘ মানববন্ধন কলাপাড়ার ডালবুগঞ্জে যিনি আলোকিত করেছেন প্রজন্মের পর প্রজন্ম, বিদায়ের দিনে কেন তিনি মঞ্চের এক কোণে পেনশন পেতে আর নয় হয়রানি, চালু হচ্ছে অনলাইন ট্র্যাকিং ব্যবস্থা ​ছাত্র কাউন্সিল নেতা সুজয় বিশ্বাস কর্তৃক নারী নিপীড়ন ও ভিকটিম ব্লেমিংয়ের প্রতিবাদে বরিশালে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ সমাবেশ

জন্মদাত্রি মা ছেলের মারধরে গুরুতর আহত

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত সময়ঃ মঙ্গলবার, ২২ এপ্রিল, ২০২৫
  • ২০০ জন দেখেছেন

মোঃ আবদুল্লাহ আল নোমান


পটুয়াখালীর কলাপাড়ায় জমি নিয়ে বিরোধের জের ধরে ৬৫ বছর বয়সের নূরনেছা বেগম তার ছেলের হাতে গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটে সোমবার বিকেলে ডালবুগঞ্জ ইউনিয়নের মেহেরপুর গ্রামে। এই ঘটনায় ভুক্তভোগী নূরনেছা বেগম রাতে মহিপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।
অভিযোগে নূরনেছা বেগম উল্লেখ করেন, তার তিন ছেলে সম্মিলিতভাবে একটি জমি ক্রয় করেছিলেন, যা স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা আপসের মাধ্যমে সমানভাবে ভাগ করে দেন। ছোট ছেলে সরোয়ার যখন তার ভাগের জমিতে বেড়া দিতে যান, তখন বড় ছেলে নূরুল ইসলাম তাতে বাধা দেন এবং তাকে মারধর করেন। মা নূরনেছা বেগম এগিয়ে এসে এই ঘটনা থামাতে চেষ্টা করলে, নূরুল ইসলাম তাকে লাঠি দিয়ে আঘাত করেন। এর ফলে তার বাম হাত ভেঙে যায় বলে তিনি অভিযোগ করেন। এ সময় ছোট ছেলে সরোয়ারের স্ত্রী হামিদা বেগমও আহত হন।
স্থানীয় লোকজন আহতদের উদ্ধার করে কুয়াকাটা ২০ শয্যাবিশিষ্ট হাসপাতালে নিয়ে যান, যেখানে তারা প্রাথমিক চিকিৎসা পান।
অন্যদিকে, অভিযুক্ত নূরুল ইসলামের স্ত্রী মাকসুদা বেগম জানান, তার স্বামী বর্তমানে পটুয়াখালীতে চিকিৎসাধীন এবং জীবন-মৃত্যুর সন্ধিক্ষণে রয়েছেন।
মহিপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. তরিকুল ইসলাম জানান, এই ঘটনায় দুটি লিখিত অভিযোগ পাওয়া গেছে। বিষয়টি তদন্ত করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।

আপনার সোসাল একাউন্টে শেয়ার করে অন্যদের পড়ার সুযোগ করে দিন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

এই ক্যাটাগরির অন্যান্য সংবাদ
© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত ২০২৬, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, কপিরাইট আইনে পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার দণ্ডনীয় অপরাধ।
Powered by ITNexBD